আটকে আছে স্টেডিয়ামের সংস্কার, শঙ্কায় মেসিদের খেলা !

বাজেট না থাকায় আটকে আছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে পানি ছিটানোর মেশিন স্পিন্টার বসানোর কাজ। অন্যদিকে, বেড়েই চলেছে প্রকল্পের মেয়াদ ও বাজেট। ২০১৭ সালে প্রথম ধরা ৮০ কোটির বাজেট ২০২৩ সালে এসে হয়েছে দ্বিগুণ, কিন্তু ঘাস লাগানোর বাজেট মাত্র ১০ লাখ টাকা। আর, তাতেই হুমকির মুখে পড়ছে মেসিদের বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে খেলার সম্ভাবনা।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকে বলা বাংলাদেশের হোম অফ ফুটবল। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফুটবলের বড় বড় সব আসরের সাক্ষী বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের সবুজ গালিচা। ২০১১ সালে লিওনেল মেসির পদচারণাও পড়েছে এ মাঠেই।

আরও একবার যখন এ সবুজ গালিচায় মেসিদের হাঁটার কথা চলছে, তখন এই গালিচা নিয়েই যতো অবহেলা। শত কোটি টাকা বাজেটে সংস্কার কাজ চলা বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠ নিয়ে মাথাব্যথা যতসামান্যই। মাত্র ১০ লাখ টাকা ব্যয় ধরা এ মাঠে ব্যবহার করা হচ্ছে কক্সবাজার থেকে আনা দূর্বা ঘাস। আর, সামান্য পরিমাণে দেশের বাইরে থেকে আনা বারমুডা ঘাস। কিন্তু, পানির অভাবে সেগুলোও শুকিয়ে যায় যায় অবস্থা। মাঠেই ফেলে রাখা হয়েছে পানি ছিটানোর মেশিন।

অন্যদিকে, বেড়েই চলেছে প্রকল্পের বাজেট। সংস্কার কাজে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন পরিকল্পনা আর, সেই সাথে বেড়ে চলেছে প্রকল্পের মেয়াদ আর বাজেট। তাই তো, জুনে মেসিদের বাংলাদেশে আনার যে পরিকল্পনা চলছে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তার আগে প্রস্তুত হবে তো স্টেডিয়াম?

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী পরিচালক সুকুমার সাহা এ প্রসঙ্গে বলেন, এক কথায় যদি বলি তাহলে- জুনের মধ্যে স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ শেষ করা সম্ভব না।

আর, বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের প্রধান স্থপতি মাসুদুর রহমান খান এ প্রসঙ্গে বললেন, যে সময়ের মধ্যে ওনারা কাজ শেষ করবেন বলে বলছেন, কাজ যে গতিতে আগাচ্ছে সেভাবে চলতে থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অবশ্যই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে না।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী পরিচালক ও প্রধান স্থপতির কথায় স্পষ্ট যে, প্রকল্পের সময় বাড়ার পাশাপাশি বাড়ছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের ব্যয়ও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *