যৌতুকে গাড়ি চেয়েছিলেন সরকারি কলেজের প্রভাষক, না পেয়ে ভাঙলেন বিয়ে

অনেক আলাপ-আলোচনার পরেই বিয়ে ঠিক হয়েছিল। তবে বিয়ে ঠিক হওয়ার সময় কোনও কথা না হলেও পরে যৌতুক হিসেবে ফরচুনার গাড়ি দাবি করে ফেলেন পাত্র। পেশায় তিনি সরকারি কলেজের প্রভাষক। আর সেই গাড়ি না পেয়ে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। গত শুক্রবার(৬ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

এছাড়া একাধিক ভারতীয় গনমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, কনের পরিবার যৌতুক হিসেবে ফরচুনার গাড়ি দিতে অস্বীকার করায় সরকারি কলেজের এক প্রভাষক বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে।পরে অবশ্য কনের বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে সরকারি কলেজের ওই প্রভাষকের বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা করা হয়েছে।

জানা যায়, বিয়ের এক মাস আগে ওই প্রভাষক কনের পরিবারের কাছে যৌতুক হিসেবে ফরচুনার গাড়ি চেয়েছিলেন। কনের পরিবার তাকে সেটি দিতে অস্বীকার করায় প্রভাষক কনের ফোনে একটি টেক্সট পাঠিয়ে বিয়ে ভেঙে দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।পরে ওই কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ৫০৬ ধারায় মামলা করেন পাত্রীর বাড়ির লোকজন।

থানায় মেয়ের পরিবারের করা লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, বর এবং কনের উভয় পরিবারই ২০২২ সালের মে মাসে মিলিত হন এবং পরে একই বছরের ১৯ জুন বাগদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সেসময় আলোচনার পর, উভয় পরিবার ২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি বিয়ের দিন ঠিক করে।এরপর গত বছরের ১০ অক্টোবর কনের পরিবার বরের জন্য উপহার হিসাবে একটি ওয়াগন আর গাড়ি বুক করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বরের পরিবারের এক সদস্য কনের বাড়িতে এসে ওই গাড়ির বদলে ফরচুনার গাড়ি দাবি করেন।

তবে কনের পরিবার তাদের দাবি মানতে রাজি হয়নি। এরপর ২৩ নভেম্বর ওই কলেজশিক্ষক বিবাহ ভেঙে দেন বলে কনের বাবার এফআইআর-এ বলা হয়েছে।এরপর সরকারি কলেজের প্রভাষক এবং তার আত্মীয়কে আইপিসি ধারা ৫০৬ (অপরাধমূলক ভয় দেখানো) এবং যৌতুক আইনে মামলা করা হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *