রুমিন ফারহানাকে নিয়ে যা বললেন উকিল সাত্তার !

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক উপদেষ্টা আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া পদত্যাগ করার পর সেখান থেকেই আবারও উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি। এ জন্য তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এমনকি বহিষ্কৃত সাবেক এমপি আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার পক্ষে কাজ করলেই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনের সময়ে সরাইল ও আশুগঞ্জে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে অবাঞ্ছিত এবং তাকে প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার। উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির পদত্যাগী আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া। ওই সময় তিনি বলেন, আমি বিএনপির হাইকমান্ডের নির্দেশে পদত্যাগ করি। পরে বুঝতে পারি আমি আমার এলাকার জনগণের চাহিদা পূরণ করতে পারি নাই। তাই আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করতে চাইছি। স্বতন্ত্র থেকে আমি শুরু করেছিলাম, আবার স্বতন্ত্র দিয়েই আমি শেষ করতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, আপনারা আবার আমাকে কলার ছড়া মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আমি যেন আপনাদের বাকি কাজগুলো শেষ করতে পারি। এ সময় ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে উদ্যেশ্যে করে তিনি বলেন, আমার বাবা-দাদা চৌদ্দ গোষ্ঠীও তাকে (ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা) চিনত না। তবে তার (ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা) বাবাকে আমরা চিনতাম।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অনুরোধে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য পদে রুমিন ফারহানার নাম প্রস্তাব করেছিলাম। আমার প্রস্তাবে রুমিন ফারহানা এমপি (সংসদ সদস্য) হয়েছেন। এখন আমার বিরুদ্ধে কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ জানুয়ারি আশুগঞ্জের রাজমনি হোটেলে অনুষ্ঠিত সেমিনারে দলের নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারি করেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, বিএনপির ইমেজ নষ্ট করতে উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়াকে চাপে ফেলে নির্বাচনে আনা হয়েছে এবং যেকোনোভাবেই হোক সরকার তাকে পাশ করিয়ে আনবে। সেজন্য ওই আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করলেও তা পরে তারা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *